ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে স্টার্টআপের জন্য জনসংযোগ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

SHARE

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক: জনসংযোগ হল সর্বাধিক  মানুষের নিকট স্টার্টাপ স্বীকৃত উপায়ে পৌঁছানোর একটি উদ্ভাবনী মাধ্যম, যা কিনা বর্তমানে দক্ষ উদ্যোক্তাদের জন্য সাফল্যের মইয়ে পরিণত হয়েছে।  ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি বিজনেস ক্লাব (ইডব্লিউইউবিসি) সর্বদা এর সদস্যদের এবং অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য আগ্রহীদের জনসংযোগ বিষয়সমূহ প্রমোট করতে উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে।

এই বিষয়ে লক্ষ্য রেখে, গত বৃহস্পতিবার, ০৯ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে  ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি (ইডব্লিউইউ) -এর অডিটোরিয়ামে  ‘স্টার্টআপের জন্য জনসংযোগ  (পি আর) ‘ নামে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই অসাধারণ অনুষ্ঠানটি ইডব্লিউইউ বিজনেস ক্লাব এর ১০০ মিনিট বুস্ট আপ প্রগ্রামের অধীনে সংগঠিত হয়। উদ্যোক্তা সাংবাদিক ও র’দিয়া আই এএনসি এর কর্ণধার সৈয়দ রবিউস সামস এবং ইযুথ স্কুল ফর সোশ্যাল অন্ট্রাপনারশিপ (ওয়াইএসএসই) এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি শেখ মোহাম্মদ ইউসুফ হোসেন যৌথভাবে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।

উত্সাহী শিক্ষার্থীদের সামনে বিশিষ্ট তরুণ উদ্যোক্তা এবং জনসংযোগ বিষয়ে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তিবর্গ তাদের বক্তৃতা মাধ্যমে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং উপলব্ধি প্রদানের চেষ্টা করেন। সৈয়দ রবিউস সামস বলেন, “বেশিরভাগ সময় জনসংযোগকে স্টার্টআপের জন্য ফ্রি বিজ্ঞাপন হিসেবে় ধরা হয় এবং যা নতুন অবস্থায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”

নির্দিষ্ট অডিয়েন্সের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে এবং তাদের প্রয়োজনীয়তা বুঝে জানা যায় যে  ব্র্যান্ড ইমেজকে উন্নত করতে পিআর অনেক বেশী কার্যকর হতে পারে।
সোশ্যাল উদ্যোক্তাদের জন্য পিআরের গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি শেখ মোহাম্মদ ইউসুফ হোসেন বলেন, “জনসংযোগকে ব্র্যান্ড উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে কম ব্যয়বহুল কিন্তু কার্যকর উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।” সুতরাং, তরুণ উচ্চাকাঙ্ক্ষী উদ্যোক্তারা শুরু থেকেই প্রচার মাধ্যমের উপর তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়ে জোর দিতে পারেন। ” আমাদের বিশিষ্ট বক্তাগণ শিক্ষার্থীদের “স্টার্টআপের জন্য পিআর” সম্পর্কে সমস্ত দ্বিধা দূর করেন এবং প্রতিটি সেমেস্টারে ‘ ১০০ মিনিট বুস্ট আপ’ এর উল্লেখযোগ্য উদ্যোগটি প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ সহায়ক বলে প্রমাণিত হয়েছে। সেই সাথে, ছাত্রছাত্রীরা খুবই একক একটি বিষয় হিসেবে পিআর’কে দেখতে পেরেছে। এসবই ছিল ১০০ মিনিটের অধিবেশনের সুবিধা এবং ফলাফল  এবং ছাত্রছাত্রীদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সফলতা প্রতীয়মান হয়।