বই পড়ার না জানা সব উপকারিতা

SHARE
বই পড়া নাকি খুব ভাল। বই আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য ভাল রাখে, অনুভূতিকে সতেজ রাখে এমন আরও অনেক উপকারের কথাই শোনা যায় বই পড়া নিয়ে। কিন্তু সত্যিই কি তাই? আসুন জেনে নিই সেই সব গবেষণার কথা যা আমাদের কাছে বই পড়ার প্রকৃত উপকারিতা প্রমাণ করে।
স্ট্রেস কমায়
প্রচন্ড মানসিক চাপে আছেন আপনি। কী করেন এমন সময়ে? কফি পান করেন বা একটু হেঁটে আসেন? সাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে, বই পড়া এরচেয়ে বেশী কার্যকর। গান শোনা, হাটাহাটি করা বা কফি পান করার চেয়ে বই পড়া দ্রুত স্ট্রেস কমায়, মনোযোগ ভিন্ন দিকে নিয়ে যায়, ফ্রেশ অনুভূতি দেয়।
ইনসমনিয়া থেকে মুক্তি
এটা গবেষণায় প্রমাণিত যে বই পড়া আপনার ঘুম না হওয়ার সমস্যাকে স্বাভাবিক করে। অর্থাৎ আপনি যদি ইনসমনিয়ার রোগী হন তাহলে বই পড়াই আপনার রাতের ঘুম ফিরিয়ে দিতে সবচেয়ে কার্যকরী উপায়। মোবাইল ফোন বা টেলিভিশনের আলো মস্তিষ্কে সিগনাল পাঠায় যে এখন জেগে থাকতে হবে। বিপরীত দিকে হালকা আলোয় বই পড়া মস্তিষ্কে ঠিক উল্টো সিগনাল দেয়।
সহানুভুতিশীল করে
এমন কি কখনো হয়েছে কল্পকাহিনী পড়তে পড়তে এক সময় আপনার মনে হয়েছে আপনিও যেন গল্পের একটা অংশ হয়ে গেছেন? বই আমাদের মাঝে একটা আবেগের সম্পর্ক তৈরি করে। আমরা গল্পের সাথে সংযুক্ত বোধ করতে শুরু করি। এভাবে নিয়মিত বই পড়া আমাদের বাস্তব জীবনকেও প্রভাবিত করে এবং আমরা ব্যক্তিগত সম্পর্কে আরও সহানুতিশীল হই।
মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়
ইমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, বই পড়া আমাদের দিনে দিনে আরও স্মার্ট করে। একটা বই শেষ করার পর বহুদিন পর পর্যন্ত বইটির ইতিবাচক প্রভাব থাকে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, বই পড়ার সময় মস্তিষ্ক এতভাবে কাজ করে যে তা আপনার নিউরোলজিকাল পরিবর্তন ঘটায় এবং মেমরি মাসলকে উজ্জ্বীবিত করে।
ডিপ্রেশন কমায়
গবেষণা প্রমাণ করে যে, বই পড়া ডিপ্রেশন কমানোর জন্য সবচেয়ে বেশী কার্যকরি। আপনি যদি নিজেই হন নিজের গাইড তাহলে আপনার খুব কাছের বন্ধু হতে পারে এই বই। প্রেরণা দান করে এমন বই পড়ুন। জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে সাহায্য করে বই। জীবন সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয় বই।