শীতে উষ্ণতার পরশ

SHARE

আতিকুর রহমান : প্রকৃতির পালাবদল চলে নিয়মিত। তারই ধারাবাহিকতায় চলে এসেছে শীত। প্রকৃতির পরিবর্তন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের আচার-আচরণ, খাদ্যাভাস, পোশাক-পরিচ্ছদ, সাজ-সজ্জা এমনকি জীবনযাপনেও বেশ প্রভাব ফেলে।

শীতের সময় তাপমাত্রা যত কমতে থাকে, শীতে ব্যবহার্য অনুসঙ্গের কদর তত বাড়তে থাকে। শীতে নিজেকে উষ্ণ রাখার অনুসঙ্গ যাই হোক না কেন, তা যেন মানসম্মত হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শীতের সময় প্রতিদিনের জীবনযাপনকে সহজ ও আরামদায়ক করতে সাহায্য নিতে পারেন বৈদ্যুতিক যন্ত্রের।

রুম হিটার : শীতের সময় যেসব যন্ত্রের সাহায্যে আমরা উষ্ণতা পেয়ে থাকি তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, রুম হিটার। এটি আপনার রুমকে ঠান্ডার মাঝে গরম রাখবে। বাজারে দুই ধরনের রুম হিটার পাওয়া যায়। একটি থেকে গরম হাওয়া বের হয়ে রুমকে গরম করে তুলবে। আর অন্যটি আপনার ঘরকে শীতল থেকে গরম করে তুলবে। রুম হিটার ব্যবহারে ত্বকের কোনো ক্ষতি হয়না। আপনি ইচ্ছে করলে তাপমাত্রা কমাতে বাড়াতে পারবেন।

বেড হিটার : আপনার ঘুমের সময় উষ্ণতা পেতে ব্যবহার করুন বেড হিটার। এটি আপনার বিছানাকে উষ্ণ রাখবে। এতে আপনার ঘুম হবে আরামদায়ক।

বৈদ্যুতিক কেটলি : শীতে অনেকে গরম পানি পান করেন। অফিস ও বাসায় ব্যবহারের জন্য নিতে পারেন বৈদ্যুতিক কেটলি। এছাড়া হুটহাট চা-কফি বানাতে ব্যবহার করুন এটি। পানি গরম করার জন্য বৈদ্যুতিক কেটলির পাশাপাশি পাবেন জগ হিটার, রড হিটার, হট-কোল্ড ফিল্টার। এগুলোর সাহায্যে সহজেই পানি গরম করতে পারবেন। এগুলো ব্যবহারে ঝুঁকিও থাকে কম।

ওয়াটার হিটার (গিজার) : এই শীতে বাহিরে ধুলা-বালি প্রচুর থাকে। যার মাধ্যমে বিভিন্ন রোগ ছড়ায়। বাহিরে যাবার আগে ও বাহির থেকে ফিরে এসে গোছল করাটা অনেকের অভ্যাস। শীতে পানি প্রচন্ড ঠান্ডা থাকে। ঠান্ডা পানিতে গোছল করলে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে। তাই বাথরুমের পানি গরম রাখার জন্য ওয়াটার হিটার (গিজার) ব্যবহার করতে পারেন। এটি পানি গরম করে, গোছলকে করবে আরামদায়ক।

মাইক্রোওভেন : শীতের দিনে ঠান্ডা খাবার খেতে কেউ কি পছন্দ করে? কেউ করে বলে মনে হয় না। আবার নানা কাজের ব্যস্ততার কারণে সব সময় রান্না করাও সম্ভব হয় না। তাই ফ্রিজে রাখা খাবার খেতেই হয়। আর ঠান্ডা খাবার গরম করতে ওভেনে জুরি নেই। শীতে খাবর গরম করতে ব্যবহার করুন মাইক্রোওভেন। এতে সময় বাঁচে, খাবারের স্বাদও থাকে অটুট।

সতর্কতা
জীবনকে আরামদায়ক করার জন্য এগুলো ব্যবহার করি। আমাদের জীবনকে আরামদায়ক করলেও সঠিক ব্যবহার না করা ও অযত্নের ফলে সহজেই নষ্ট হয়ে যায়। একটু অসতর্কতার কারণে ঘটে যেতে পারে অঘটন। তাই ব্যবহারের পূর্বে এগুলোর সঙ্গে দেওয়া নির্দেশিকা ভালো করে দেখে নিতে হবে। ব্যবহারের পরে বৈদ্যুতিক সুইচ অফ করে রাখুন। সূত্র: রাইজিংবিডি