একুশ মানে তারুণ্যের শক্তি নিয়ে দেশ-দশের জন্য কাজ করা

SHARE

নুর-ই-আলম ফয়সল:

একুশ মানে এগিয়ে যাওয়া, একুশ মানে মাথা নত না করা, একুশ মানে বাঁধাহীন এক স্রোতস্বিনী নদীর মতো সামনে বয়ে যাওয়া। একুশ মানে তারুণ্যের দীপ্ত শিখা, একুশ মানে শোষনমুক্ত এক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।ইয়ুথ জার্নাল পাঠকদের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল একুশ মানে কি? অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে…..

বাচাইকৃত কয়েকটি পাঠকদের উদ্দেশ্য দেয়া হলো-

ঢাকার শিক্ষার্থী লামিয়া তারেক শ্রাবণী বলেন, একুশ মানে রক্তে কেনা/ আমার মায়ের ভাষা,/ একুশ মানে শিমুল, পলাশ/ প্রাণের চেয়ে খাসা।/একুশ মানে শোকের ছবি/প্রাণ জুড়ানো গান,/ একুশ মানে রক্তে লেখা/ বাংলা অভিধান।/ একুশ মানে রাজাকারের/ চিরকালের ভয়/ দীপ্ত তরুণ মুক্তিসেনা/ করবে তাদের লয়।

নরসিংদীর রফিকুল ইসলাম বলেন, একুশ মানে স্বাধীনতার স্বপ্নবুনা/ প্রথম ভাবনা …
একুশের হাত ধরেই আমার দেশ/ বাংলাদেশের অবতারনা …

জাপানে পিএইচডি অধ্যয়নরত আবু জাফর মো. সালেহ বলেন, একুশ আমাদের শেখায় সত্যিকার মানুষ হতে, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের শুদ্ধতার প্রতীক হতে, নব উদ্দমে সামনে এগিয়ে যেতে।

ঢাকার কাউছার আলম শরীফ লিখেন, একুশ মানে পিচঢালা পথ রক্তে রঞ্জিত/ একুশ মানে বাঙালি কভূ হবে না বঞ্চিত/ একুশ মানে রফিক-সালাম দরাজ কণ্ঠসর/ একুশ মানে বরকতেরই স্বাধীন চরাচর।

জাপান প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রেহানা লিপি বলেন, একুশ শুধু বেদনায় সিক্ত দিন নয়। একুশ আমাদের সামনে এগিয়ে যাবার বিপ্লবী চেতনার বহ্নিশিখাও।

আসলেই একুশ মানে কারো কাছে মাথা নত না করা, একুশ মানে তারুণ্যের শক্তি নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, দেশপ্রেমে নিজেকে নিয়োজিত করা।